শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
বৃক্ষ শূন্যতাই ডেকে আনতে পারে পরিবেশ বিপর্যয়; প্রত্যেকেই হোন বৃক্ষপ্রেমী দৃষ্টিনন্দন বাবুই পাখির বাসা আজ বিলুপ্তির পথে অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা চালক নিহত; স্বজন ও এলাকাবাসীর বিক্ষোভে মহাসড়ক অবরোধ তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন, কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত শিক্ষকদের তালাবদ্ধ করে রাখল ছাত্র-ছাত্রীরা, ইউএনওর হস্তক্ষেপে মুক্ত ‎তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১সেন্টিমিটার ওপরে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার
বিলুপ্তির পথে লালমনিরহাটের গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী কুঁড়ে ঘর

বিলুপ্তির পথে লালমনিরহাটের গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী কুঁড়ে ঘর

লালমনিরহাটের গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী খর-কোটার ছাঊনি দিয়ে তৈরি করা ঘর এখন অনেকটাই বিলুপ্তির পথে। এক সময়ে লালমনিরহাটের বসবাসের প্রধান ঘর হিসেবে ব্যবহৃত হতো এই সব কুঁড়ে ঘর। গ্রামের সাধারণ নিম্ন শ্রেণির খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত কিংবা উচ্চ শ্রেণির মানুষেরাও ব্যবহার করতেন এই ঘরগুলো। এক সময় গ্রামে সাধারণত কুঁড়ের ঘরের তুলনায় ইট কিংবা টিনের ঘর ছিল খুবই কম কিন্তু আজ তা কালে আবর্তে সম্পূর্ণ বিপরীত। গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও কুঁড়ে ঘর এখন চোখে পড়ে খুবই কম। শ্রমজীবী মানুষেরা ধান কাটার পর অবশিষ্ট অংশ দিয়ে নিপুন হস্তে তৈরি করতো এই কুঁড়ে ঘর।

যারা এই ঘর তৈরি করতে পারদর্শী তাঁদেরকে বলা হয় ছাপরবান। অত্যন্ত আরাম প্রিয় এই ঘরগুলো গরম কালেও ঠান্ডা এবং শীতকালেও এর ভিতরে বেশ গরম অনুভব হতো। আধুনিক যুগের আর্বতে এখনও সেই গ্রামীণ ঐতিহ্যের ঘরের খোঁজ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর মোগলহাট ইউনিয়নের ফুলগাছ গ্রামের এক বাড়িতে এখনও একটি কুঁড়ে ঘর দেখা গেছে।

তবে খরের অভাবে এ ঘরগুলি এখনও ছাউনি দিতে পারছেনা। আগে তো অনেক কৃষক বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করতো। ফলে শক্ত ও মজবুত খর হতো। বছরের একবার চাউনি দিলে অনন্ত ছয় মাস চলে যেতো। আবার পুরাতন ঐ খর দিয়ে প্রায় দুমাসের রান্নার কাজ সাড়া যেতো। কিন্তু ঐসব ধান এখন চাষ করা হয়না।

ওইসব ধানের খর পাওয়া যায় না। ফলে খরের অভাবে এক ধরনের সংকট সৃষ্টি হয়েছে এসব ঘরগুলি ছাউনির জন্যে। তবে অত্যন্ত আরামদায়ক এসব ঘরের মাঝে থাকতে। পাশাপাশি ঘরটিকে সংরক্ষিত রাখতে বাঁশের প্রয়োজন হয়। বাঁশতো আগের তুলনায় অনেক কম। সরকারের উচিত গ্রামীণ ঐতিহ্যের এ ঘরগুলির অস্বিত্ব রক্ষা করা।

ফুলগাছ গ্রামের মোঃ হযরত আলী বলেন, এক সময় সর্বস্তরের থাকার জায়গার উৎসস্থল ছিলো খর কোটার ঘর। সময়ের পরিবর্তনে দালান কোটার আড়ালে এখন নিষ্প্রভ খর কোটার কুঁড়ে ঘর। ঐতিহ্যের অংশকে আকঁড়ে ধরে রাখতে সকলের এগিয়ে আসতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone